Management policy
মৌলিক নীতিমালা
ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিমালা
1. বোর্ড অব ডাইরেক্টরস, ইসি ও বাংলাদেশ ম্যানেজমেন্ট কমিটির মাধ্যমে শেযার এন্ড কেয়ার গ্রুপ পরিচালিত হবে।
2.বোর্ড অব ডাইরেক্টরস হচ্ছে শেয়ার এ্যন্ড কেয়ার গ্রুপ এর সর্বোচ্চ ফোরাম। প্রতিবছর একবার সাধারন সভা ও এক বা একাধিকবার গ্রুপের/ঝরংঃবৎ ঈড়সঢ়ধহু সমূহের বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। বোর্ড মিটিং এ কোম্পানীর মৌলিক নীতিমালা অনুমোদন, নীতিমালা প্রণয়ন ও চূড়ান্ত করা হবে।
3. বোর্ড অব ডাইরেক্টরস এর সিদ্বান্তাবলী বাস্তবায়নের জন্য গ্রুপের একটি এঙ্িিকউটিভস কমিটি থাকবে। প্রতি দুই/তিন মাসে এঙ্িিকউটিভ কমিটির মিটিং হবে। ইসির কাজ হচ্ছে বাংলাদেশের ম্যানেজমেন্ট কমিটি কর্তৃক প্রণীত রিপোর্ট , ড্রাফট ও পরিকল্পনার অনুমোদন দান, ম্যানেজমেন্ট কমিটির তত্বাবধান ও নির্দেশিকা প্রদান এবং বোর্ড অব ডাইরেক্টরস এর জন্য সুপারিশামালা তৈরী করা।
4. একটি ম্যানেজমেন্ট কমিটি থাকবে। ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাজ হচ্ছে কোম্পানীর প্রজেক্ট নির্ধারণ, মূল্যায়ন, পরিকল্পনা প্রণয়ন, স্টাফ রিক্রুটমেন্ট এর প্রক্রিয়া করা, স্টাফ ট্রেনিং ও স্টাফ ম্যানেজমেন্ট এবং কোম্পানীর বিভিন্ন ডুকুমেন্ট এর ড্রাফট তৈরী করা। প্রতি মাসে ম্যানেজমেন্ট কমিটির মিটিং অনুষ্ঠিত হবে।
5. চেয়ারম্যান ও এমডি সকল কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও এমডি থাকবেন। তবে প্রত্যেক Sister Company পরিচালনার জন্য একজন হেড/এঙ্িিকউটিভ ডাইরেক্টর থাকবে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানীতে দশ জনের বেশী ডাইরেক্টর থাকলে উক্ত কোম্পানী পরিচালনা কমিটি থাকবে । তাঁরা উক্ত কোম্পানীর কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে গ্রুপ ইসিকে/ ম্যানেজমেন্ট টিমকে সহায়তা করবেন।
6. Sister Company সমূহের কমিটি প্রধান/ এঙ্িিকউটিভ ডাইরেক্টর হিসাবে যিনি নির্বাচিত বা মনোনীত হবেন তিনি গ্রুপ ইসিতে পদাধিকার বলে সদস্য হবেন / সংশ্লিষ্ট কোম্পানী সম্পর্কে আলোচনার সময় আমন্ত্রিত হবেন।
7. শেয়ার এন্ড কেয়ার গ্রুপের বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কিছু কমিটি থাকবে। কমিটিগুলো প্রয়োজনের আলোকে মিটিং করবে এবং meeting allowance পাবেন।
সিদ্বান্ত গ্রহন সংক্রান্ত নীতিমালা
1. শেয়ার এন্ড কেয়ার এর সিদ্বান্ত সর্ব সন্মতিক্রমে কিংবা অধিকাংশের মতামতের ভিত্তিতে গৃহীত হবে। সিদ্বান্ত গ্রহনের আগে যে কোন ডাইরেক্টর তাঁর মতামত স্বাধীনভাবে পেশ করবেন কিন্তু সিদ্বান্ত গ্রহনের পর অধিকাংশের মতামতের প্রতি শ্রদ্বাশীল থাকতে হবে।
2. কোন সিদ্বান্ত পূণরায় বিবেচনার জন্য যে কোন ডাইরেক্টর অনুরোধ করতে পারেন কিন্তু কেউ কারো মতামত চাপিয়ে দেয়ার মানসিকতা পোষন করা সমীচিন হবেনা। এতে কোম্পানীর অগ্রগতি ব্যাহত হতে পারে।
ভ্রমন ও বৈঠক সংক্রান্ত নীতিমালা
1. নিয়মিত নির্ধারিত বৈঠক এর জন্য কোম্পানী যখন উপযোগী মনে করবে বৈঠক ভাতা প্রদান করবে। সকলেই ভ্রমন খরচ পাবেন এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত ডাইরেক্টরগণ বৈঠক ভাতা পাবেন।
2. জরূরী বৈঠকের জন্য ভ্রমন খরচ পাবেন কিন্তু বৈঠক ভাতা ইসি যখন জরুরী মনে করবে তখন থেকে চালু করবে।
3. কোম্পানীর মার্কেটিং এর জন্য যারা ভ্রমন করবেন তাঁরা ভ্রমন খরচ ও ভ্রমন ভাতা পাবেন। ( ইসির অনুমোদন সাপেক্ষে ভ্রমন ভাতা দেয়া হবে)
পারস্পরিক অধিকার সংক্রান্ত নীতিমালা
4. শেযার এন্ড কেয়ার এর প্রত্যেক ডাইরেক্টর/শেয়ার হোল্ডার পর্স্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান দেখাবেন। কে কত বেশী বিনিয়োগ করেছেন বা কত বেশী সময় দিয়েছেন কিংবা কত আগে যোগ দিয়েছেন অথবা শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পরস্পরের সম্মান হানি হয় এমন মন্তব্য করা কারো জন্য সমীচীন নয়।
5. প্রত্যেকে নিজের প্রাপ্য অধিকার পাবেন- তবে নিজ থেকে অপরকে অগ্রাধিকার দানের মানসিকতা পোষন করা দরকার।
কোম্পানীতে চাকুরী সংক্রান্ত নীতিমালা
1. কোম্পানীতে চাকুরী দেয়ার শর্তে যেমন কাউকে ডাইরেক্টর/শেয়ার হোল্ডার করা হবে না। তেমনি কোন ডাইরেক্টর/শেয়ার হোল্ডারকে কোম্পানীতে চাকুরী দেয়া যাবে না এমন পলিসি গ্রহন করাও ঠিক হবে না।
2. কোম্পানীর মালিক হচ্ছেন ডাইরেক্টর ও শেয়ার হোল্ডারগন। মালিক যেভাবে নিজ প্রতিষ্ঠানকে একটা ভিশন নিয়ে গড়ার চেষ্টা করেন তা সাধারন স্টাফ এর মাধ্যমে সম্ভব নয়। তাই কোন ডাইরেক্টর বা শেয়ার হোল্ডার যদি শেয়ার এন্ড কেয়ারকেই তাঁর ব্যবসায়ের ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান আমরা তাঁকে স্বাগত জানাবো। তবে প্রত্যেকের মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতার আলোকেই বেতন নির্ধারিত হবে। ডাইরেক্টর হিসেবে সকলে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সমান পাবেন কিন্তু চাকুরীর ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও দক্ষতার আলোকে বেতনের তারতম্য হতে পারে।
3. যেসব ডাইরেক্টর শেয়ার এন্ড কেয়ারের জন্য সময় দেন তাঁরা নিঃসন্দেহে কোম্পানীর জন্য বিরাট অবদান রাখছেন- কিন্তু কোম্পানীর মৌলিক নীতিমালার ভিতরেই সকলকে কাজ করতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানের ইমেজ বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে হবে। এক্ষেত্রে কোন স্টাফ এর কাছে ডাইরেক্টর এর মান সম্পর্কে যেন নেতিবাচক ধারনা সৃষ্টি না হয় সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে।
4. বিজ্ঞাপন প্রদান ও নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমেই চাকুরীতে নিয়োগ দেয়া হবে। যে কোন ডাইরেক্টর বিজ্ঞাপিত পদে আবেদন করতে পারবেন- একাধিক ডাইরেক্টর একই পদে আবেদন করলে 'নিয়োগ বোর্ড' যোগ্যতা ও দক্ষতা দেখে নিয়োগ দিবেন। কিন্তু কোন ডাইরেক্টর এমন পদে আবেদন করা সমীচিন নয় কোম্পানীর স্বার্থে যে পদে আরও দক্ষ লোক প্রয়োজন।
5. কোন ডাইরেক্টরের আত্মীয় বলে কাউকে নিয়োগ দেয়া বা নিয়োগ দান থেকে বিরত থাকা আমাদের পলিসি নয়। যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততা দেখে নিয়োগ কমিটি উপযোগী মনে করলে নিয়োগ দান করবে।
প্রজেক্ট সংক্রান্ত নীতিমালা
1. কোন প্রজেক্ট গ্রহন করার আগে প্রাথমিকভাবে মূল্যায়ন করতে হবে : ক. প্রজেক্ট কতটুকু লাভজনক হবে? খ. ক্রেতাদের আকর্ষন আছে কিনা? গ. ফান্ড কিভাবে আসবে? ঘ. ব্যবস্থাপনা কিভাবে পরিচালিত হবে? ঙ. এর চেয়ে অধিক লাভজনক কোন প্রজেক্ট আছে কিনা? চ. কত বছরে প্রজেক্ট শেষ হবে? ছ. প্রজেক্ট এর ইতিবাচক দিক কি? জ. নেতিবাচক দিক কি?
2. বাংলাদেশের প্রজেক্ট টীম এর প্রাথমিক মূল্যায়ন ইতিবাচক হলে পুর্ণাংগ প্রজেক্ট পরিকল্পনা করতে হবে এবং তা অনুমোদনের জন্য ইউকের প্রজেক্ট কমিটির কাছে পাঠাতে হবে।
3. চেয়ারম্যান প্রয়োজনবোধে ইসি/বোর্ড মিটিং এ উপস্থাপন করবেন কিংবা প্রজেক্ট কমিটি এ সংক্রান্ত সিদ্বান্ত গ্রহন করবেন।
4. ঝোক বা আবেগ প্রবণ হয়ে যথাযথ মূল্যায়ন বা পর্যালোচনা ছাড়া কোন প্রজেক্ট নেয়া যাবে না।
5. কোন প্রজেক্ট দ্রুততম সময়ে অধিক লাভসহ শেষ করতে পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিশেষ পুরষ্কার পাবেন।
6. প্রাথমিক মূলধন বা মৌলিক মূলধন দেয়া ছাড়া শুধুমাত্র ডেভেলপমেন্ট খরচ দিয়ে প্রজেক্ট নেয়াকে আমরা অগ্রাধিকার দেব। যেসব প্রজেক্ট প্রাথমিক মূলধন দিয়ে শুরু করা হয় তা বিক্রীর অর্থ থেকে মৌলিক মূলধন ও উন্নয়ন খরচ বহনের চেষ্টা করতে হবে।
7. বাংলাদেশ প্রজেক্ট কমিটি প্রতি তিন মাস অন্তর প্রজেক্টসমূহ পর্যালোচনা করে লাভ-লোকসান খতিয়ে দেখবে এবং প্রয়োজনে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহন করবে।
ইমেজ সংক্রান্ত নীতিমালা
1. অনৈতিক কোন খাতে আমরা বিনিয়োগ করবো না। বৈধ ভাবে কোম্পানীর একাউন্টে টাকা জমা ও ট্যাঙ্ প্রদানে সন্মত ব্যাক্তিদের কাছ থেকেই বিনিয়োগ সংগ্রহ করা হবে।
2. অন্য কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেতিবাচক কোন মন্তব্য প্রকাশ্যে করা যাবে না- আমরা সকলের মংগলকামী।
3. প্রতিশ্রুতি রক্ষায় সচেষ্ট থাকতে হবে- ব্যবসায়ে লোকসান হলেও ক্রেতাদের সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি ভংগ করা যাবে না।
4. কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার চেষ্টা করতে হবে এবং কাজের কোয়ালিটি কোন অবস্থাতেই প্রতিশ্রুতির চেয়ে খারাপ যেন না হয় সে দিকে নজর রাখতে হবে।
5. ক্রেতা কখনও যেন প্রতারিত না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
6. অফিসে সকলকে আন্তরিকভাবে অভিবাদন করা ও মধুর পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।
স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মান সংরক্ষন নীতিমালা
1. শেয়ার এন্ড কেয়ার সততা ও স্বচ্ছতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করবে।
2. কোন প্রজেক্ট নেয়া , প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আনুসংগিক কাজ জবাবদিহিতা থাকবে এবং কাজের মান সংরক্ষনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।
3. কোম্পানীর হিসেব নিজস্ব অডিটর এবং বাহিরের অডিটর দ্বারা দুইভাবে অডিট করা হবে।
4. কোম্পানীর বিভিন্ন প্রজেক্ট এ কাজের মান তদারক, ক্রয় বিক্রয়ে অধিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য 'কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসার' নিয়োগ দেয়া হবে। কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসার এম. ডির মাধ্যমে বা সরাসরি চেয়ারম্যানের নিকট প্রতি মাসে একটি প্রতিবেদন পেশ করবে। এক্ষেত্রে কোন ইস্যু সৃষ্টি হলে তা সুন্দরভাবে ও সন্তোষজনক পদ্বতিতে সমাধান করা হবে।
5. শেয়ার এন্ড কেয়ার স্বচ্ছতা ও মান সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কোন আপোষ করবেনা।
