Get Adobe Flash player
Main Menu
Home
About Us
Share & Care Group
Download
Careers
 
 
Browse
Login Form



Direcotrs responsibility and facilities

ডাইরেক্টরদের দায়িত্ব ও সুবিধা সমূহ
ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্বসমূহ
১. প্রত্যেক ডাইরেক্টর কোম্পানীর ৫ টি কাজে ভূমিকা রাখবেন । কাজ পাঁচটি হচ্ছে: ক. শেয়ার এন্ড কেয়ার নিয়ে চিন্তা করা এবং মিটিং সমূহে উপস্থিত হয়ে সুচিন্তিত মতামত দেয়া খ. ইনভেস্ট করা বা ইনভেস্ট সংগ্রহে ভূমিকা পালন করা গ. প্লট বা এ্যাপার্টমেন্টসহ প্রোডাক্ট বিক্রী ও মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ভূমিকা পালণ করা ঘ. অফিস ও স্টাফ ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখা ঙ. শেয়ার এন্ড কেয়ারের ইমেজ বৃদ্ধিতে অবদান রাখা এবং লাভজনক নতুন নতুন প্রজেক্ট সন্ধান করা ও কোম্পানীর জন্য দুআ করা।
২. কোন ডাইরেক্টর এর কার্যক্রমে কোম্পানীর ইমেজ ক্ষুন্ন হলে তাঁর ডাইরেক্টরশীপ সম্পর্কে ব্যবস্থা নেয়ার আগে একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং উক্ত কমিটির রিপোর্ট বোর্ড মির্টিং এ পেশ করা হবে। বোর্ড অব ডাইরেক্টরস এ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্বান্ত গ্রহন করবে।
৩. কেউ যদি ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনে অনিচছুক হন তিনি শেয়ার হোল্ডার বা ইনভেস্টর হিসেবে থাকতে পারবেন।

ডাইরেক্টরদের দায়িত্ব ও সুবিধা সমূহ
কোম্পানীর ডাইরেক্টর বলতে শেয়ার এন্ড কেয়ার গ্রুপ ও
Sister Company
সমূহের পরিচালকগণকে বুঝানো হয়েছে। ইনভেস্টর হচ্ছেন যাঁরা কোম্পানীতে বিভিণ্ন মেয়াদে চুক্তি মোতাবেক অর্থ ইনভেস্ট করেন।

ডাইরেক্টর ও ইনভেস্টর এর মাঝে পার্থক্য:
১. ডাইরেক্টরগণই কোম্পানীর মালিক। ইনভেস্টরগণ কোম্পানীর মালিক নন তাঁরা চুক্তি অনুযায়ী বিনিয়োগকৃত টাকার লাভ বা লোকসানের অংশীদার হবেন।
২. ইনভেস্টরগণ চুক্তি অনুসারে লাভ-লোকসানের অংশীদার হন। আর ডাইরেক্টরগণ কোম্পানীর সার্বিক লাভ-লোকসানের আলোকে বোনাস প্রফিট বা লস শেয়ার করেন।
৩. ডাইরেক্টরগণ কোম্পানীর
Memorandum of Association and Articles of Association  
অনুসারে অনেক ক্ষমতা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত। কিন্তু ইনভেস্টরগণের অনুরুপ কোন ক্ষমতা ও দায়িত্ব নেই।

শেয়ার এন্ড কেয়ার এর গ্রুপ ডাইরেক্টরশীপ ও
Sister Company  
সমূহের ডাইরেক্টরশীপ
১. শেয়ার এন্ড কেয়ার গ্রুপের নীতি হচ্ছে স্বচ্ছতা, সততা, ইসলামী ও ব্যবসায়িক নীতিমালার আলোকে ব্যবসা পরিচালনা করা। এই কারণে যাকে ডাইরেক্টর বা শেয়ার হোল্ডার বলা হবে তাঁকে আইনগতভাবে সে মর্যাদা দেয়া হবে।
২. বাংলাদেশের কোম্পানী আইন অনুসারে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী সমূহে ৫০ (পঞ্চাশ ) জনের বেশী ডাইরেক্টর বা শেয়ার হোল্ডার নেয়ার সুযোগ নেই।
৩. কোম্পানীর ভিশণ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে অনেক নতুন প্রজেক্ট নেয়া হয় এবং প্রয়োজনের আলোকে অনেক শেয়ার হোল্ডার/ডাইরেক্টর নিতে হয়। তাঁদের সকলকে আইনগতভাবে শেয়ার হোল্ডার /ডাইরেক্টর করতে হলে একটি মাত্র কোম্পানীর মাধ্যমে তা করা সম্ভব নয়। এই কারণে শেয়ার এন্ড কেয়ার গ্রুপ তার ভিশন অনুসারে বিভিন্ন প্রজেক্ট/কোম্পানীর মাধ্যমে ডাইরেক্টর ও শেয়ার হোল্ডার নেয়।
৪.
Sister Company
সমূহের ডাইরেক্টরগণ ডাইরেক্টর হিসাবে সমান সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন। আর প্রত্যেক কোম্পানীর সমন্বয়েই শেয়ার এ্যন্ড কেয়ার গ্রুপ।
৫.
Memorandum of Association and Articles of Association  
অনুসারে প্রত্যেক ডাইরেক্টর স্ব-স্ব কোম্পানীর ক্ষমতা ও দায়িত্ব ভোগ করবেন। কিন্তু অভারঅল কোম্পানীতে ইনভেস্টমেন্ট করলে তিনি গ্রুপেরই লাভ-লোকসানের অংশীদার হবেন। কেউ যদি তাঁর ইনভেস্টমেন্ট নির্দিষ্ট কোন প্রজেক্ট/কোম্পানীতে রাখতে চান তাহলেই তিনি শুধু উক্ত প্রজেক্ট/কোম্পানীর লাভ-লোকসানের অংশীদার হবেন।
৬. কোম্পানীর ভিশন ও মিশন সংরক্ষন করার দায়িত্ব সকল ডাইরেক্টরের।

ডাইরেক্টর হিসাবে শেয়ার এন্ড কেয়ার বর্তমানে যে সুবিধা প্রদান করছে
১. একজন ডাইরেক্টর
Costing price
ঢ়ৎরপব এর উপর কোম্পানী যে প্রফিট নির্ধারণ করে উক্ত প্রফিট এর ৭০্ব% ডিসকাউন্টে প্রথম ফ্ল্যাট এবং ৫০% ডিসকাউন্টে দ্বিতীয় ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন। পরবর্তীতে কোন ফ্ল্যাট নিতে চাইলে বিশেষ ডিসকাউন্ট পাবেন।
২. প্রত্যেক ডাইরেক্টর ক্রয় মূল্য + ন্যুনতম ম্যানেজমেন্ট খরচ দিয়ে ৫ কাঠার একটি প্লট পাবেন। যা তাঁদের প্রফিট থেকে এডজাস্ট হবে এবং প্রতিমাসে ন্যুনতম পরিমান ইনস্টলমেন্ট পরিশোধ করবেন। এছাড়া ৩-৫ কাঠার আরেকটি প্লট নিয়মিত ইনস্টলমেন্ট পরিশোধ এর নীতিমালার আলোকে ক্রয় মূল্য + ন্যুনতম ম্যানেজমেন্ট খরচ দিয়ে নিতে পারবেন। পরবর্তীতে কোন প্লট নিতে চাইলে বিশেষ ডিসকাউন্ট পাবেন।
৩. কোম্পানী কর্তৃক বিভিণ্ন দায়-দায়িত্ব পালণ এর জন্য কোম্পানীর প্রচলিত নিয়ম অনুসারে এ্যলাউন্স পাবেন।
৪. নিজস্ব ইনভেস্টমেন্ট এর আলোকে লাভ-লোকসানের অংশীদার হবেন। এছাড়া বিভিণ্ন সময় ঘোষিত বোনাস প্রফিট পাবেন।
৫. কোম্পানীতে চাকুরী দানের শর্তে কাউকে ডাইরেক্টরশীপ দেয়া হয়না। তবে যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুসারে কোম্পানীতে ভূমিকা রাখার সুযোগ সকলের জন্য অবারিত।
নতুন কোন প্রজেক্ট নেয়া হলে/ নতুন কোন
Sister Company
করা হলে ডাইরেক্টরগন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শেয়ার ক্রয়/ইনভেস্ট করার সুযোগ পাবেন।

বিশেষ দিক নির্দেশনা
১. কোম্পানীর ডাইরেক্টর বলতে শেয়ার এন্ড কেয়ার এর মূল ডাইরেক্টরগণকে বুঝানো হয়েছে। ফাউন্ডার ডাইরেক্টরগন প্রত্যেকে প্রদত্ত ৫ লাখ টাকা
Capital Investment হিসেবে থাকবে। পরবর্তীতে যাঁরা ডাইরেক্টর হয়েছেন তাঁরা ৫ লাখ টাকার Value হিসেবে যা দিয়েছেন তাসহ তাঁরা ৫ লাখ টাকা প্রদানকারীদের মত profit
পাবেন। এছাড়াও বাকী টাকা শেয়ার ইনভেস্ট বা সাধারণ ইনভেস্ট হিসেবে থাকবে। যে সব ডাইরেক্টর ৫ লাখ টাকার কম দিয়েছেন তাঁরা সে অনুযায়ী লভ্যাংশ পাবেন।
২. ল্যান্ড এর ডাইরেক্টর হচ্ছেন যাঁরা ১৫ লাখ বা ততোধিক টাকা কোম্পানীতে শেয়ার হিসেবে ইনভেস্ট করেছেন। আর শেয়ার হোল্ডার হচ্ছেন যাঁরা ন্যুনতম ৫ লাখ টাকা ইনভেস্ট করেছেন এবং এর চেয়ে কম পরিমান টাকা বিনিয়োগকারী ইনভেস্টর এর মর্যাদা পাবেন। আবার কেউ এক কোটি টাকা বিনিয়োগ করেও শুধু ইনভেস্টর হতে পারেন। ডাইরেক্টর এর শর্তাবলী পূরণ না হলে কাউকে ডাইরেক্টর হিসেবে গন্য হবেনা।
৩. ইনভেস্টরগণ কোম্পানীর মালিক নন তাঁরা বিনিয়োগকৃত টাকার লাভ বা লোকসানের অংশীদার হবেন। ডাইরেক্টর ও শেয়ার হোল্ডরগণই হচ্ছেন কোম্পানীর মালিক।
৪. পার্টনারশীপ এর নীতিমালা অনুসারে পার্টনারগন সংশিষ্ট প্রজেক্ট এর মালিক। কেউ যদি ৫০% শেয়ার দিয়ে কোন প্রজেক্ট এর পার্টনার হন উক্ত প্রজেক্ট এর ২৫% স্টাফ তাঁর পছন্দ অনুসারে নিয়োগ করা হবে কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রজেক্ট শেষ হওয়ার সাথে সাথে উক্ত স্টাফদের চাকুরীর মেয়াদ শেষ হবে। তবে শেয়ার এন্ড কেয়ারের স্টাফ নীতিমালার পরিপন্থী কাউকে স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবেনা।

বিভাগীয় দায়িত্ব
১. প্রত্যেক বিভাগীয় ডাইরেক্টর স্ব স্ব বিভাগের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করবেন।
২. ফাইনান্স বিভাগ এর কাজ হচ্ছে: ক. কোম্পানীর আয় ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষন, খ. বাজেট প্রণয়ন ও রিভিউ, গ. কোম্পানীর একাউন্টস বিভাগ তদারকী, ঘ. অডিট এর ব্যবস্থা করা, ঙ. সংশ্লিষ্টদেরকে রশিদ দেয়া, চ. ব্যাংক স্টেটমেন্ট মিলিয়ে হিসাব সঠিক/আপডেট রাখা, ছ. বোর্ড মিটিং এর জন্য আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রস্তুত করা, জ. কোম্পানীর খরচ পর্যালোচনা করে তা কমিয়ে আনা ও লাভ বাড়ানোর চিন্তা ও কৌশল প্রণয়ণ করা।
৩. মার্কেটিং বিভাগ এর কাজ হচ্ছে: ক. মার্কেটিং/বিক্রি বাড়ানোর কর্মপরিকল্পনা তৈরী করা, খ. বিভিন্ন দেশের সাথে যোগাযোগ রক্ষা, গ. নির্দিষ্ট সময়ের পর মূল পর্যালোচনা, ঘ. প্রজেক্ট এর প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষন সৃষ্টি।
৪. শিক্ষা বিভাগ এর কাজ হচ্ছে: ক. শেয়ার এন্ড কেয়ার এর প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান সমূহের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ণ, ২০০৯-২০১২ সাল থেকে স্কুল, কলেজ চালুর লক্ষ্যে ফান্ড, সিলেবাস, ক্যারিকুলাম, শিক্ষক প্রশিক্ষন ইত্যাদি সম্পর্কে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা। পরবর্তীতৈ বিশ্ববিদ্যালয় চালুর প্রজেক্ট তৈরী করা।
৫. স্বাস্থ্য বিভাগ: ২০১২ সালে হাসপাতাল করার লক্ষ্যে একটি প্রজেক্ট পরিকল্পনা করবে।
৬. মিডিয়া বিভাগ: ওয়েবসাইট ডেভেলপ করা, বিজ্ঞাপন, প্রচার ও প্রসারের প্রয়োজনীয কর্ম পরিকল্পনা করবেন। পরবর্তীতে ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্টেড মিডিয়া করার প্রজেক্ট তৈরী করবেন।
৭. ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন বিভাগ এর কাজ হচ্ছে: ক. সকল ডাইরক্টরদের সাথে প্রতি মাসে যোগাযোগ রক্ষা করা, খ. বিভিন্ন ইনফরমেশান আদান প্রদান, গ. প্রতিনিয়ত প্লট ও এ্যাপার্টমেন্ট বিক্রীর তথ্য সকলকে অবহিত করা ইত্যাদি।
৮. সমাজ কল্যান বিভাগ এর কাজ হচ্ছে: ক. কোম্পানীর স্টাফ ও বাংলাদেশের সাধারন মানুষের কল্যানে একটি ফান্ড সৃষ্টি, খ. সমাজ কল্যান কর্মসুচীর একটি প্রস্তাবনা তৈরী।
৯. প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট বিভাগ এর কাজ হচ্ছে: ক. নতুন নতুন প্রজেক্ট নিয়ে চিন্তা ভাবনা, খ. মডেল ভিলেজ, হলিডে হোম, ব্যাংক, গার্মেন্টস স্থাপনসহ বিভিন্ন প্রজেক্ট এর পরিকল্পনা, গ. বর্তমান প্রজেক্ট সমূহ কিভাবে দ্রুত শেষ করা যায় তার উদ্যোগ গ্রহন করা।
১০. ল্যান্ড কমিটির কাজ হচ্ছে : ক. ল্যান্ড এর গ্রাহক তালিকা তৈরী, খ. ল্যান্ড প্রজেক্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ড সৃষ্টি, গ. প্লট সেলস এর কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া।
১১. এ্যাপার্টমেন্ট কমিটির কাজ হচ্ছে: ক. গ্রাহক তালিকা তৈরী, খ. প্রজেক্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ড সৃষ্টি, গ. সেলস এর কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া।

 
Search S&C
S&C in your Toungue
English Arabic French Hindi Italian Malay Spanish Turkish
Hot Property
Random Property
Newsletter Subscriber
Name:
Email: